আজ ১০ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৪শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

স্বাধীনতা দিবসে ধোনির অবসরে যা বললেন শচিন

মাহেন্দ্র সিং ধোনি, তার অবসর নিয়ে গুঞ্জন কম হয়নি। গত মার্চে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধোনির অবসরের খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই খবরকে ধোনি পত্নী ভিত্তিহীন বললেও শনিবার (১৫ আগস্ট) সত্যিই অবসরের ঘোষণা দিলেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক।

ভারতের স্বাধীনতা দিবসে ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ধোনি নিজেই দিয়েছেন অবসরের ঘোষণা।

২০০৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ধোনির অভিষেক ম্যাচে ছিলেন শচিন টেন্ডুলকার, রাহুল দ্রাবিড়, সৌরভ গাঙ্গুলিরা। ধোনিকে একঝলক দেখেই, শচিন বুঝে গেছিলেন যে স্পেশাল এক ক্রিকেটারকে পেয়েছে ভারত। সে কথা গাঙ্গুলির সঙ্গে আলোচনাও করেছিলেন শচিন।

Advertisements

ধোনির বিদায়ের পর স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে তখনকার কথা বলেছেন মাস্টার ব্লাস্টার। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ভারতীয় দলে আসার আগে আমি তার (ধোনি) ব্যাপারে কিছুই জানতাম না। বাংলাদেশে ওয়ানডে টুর্নামেন্টে তাকে প্রথম দেখি। গাঙ্গুলির সঙ্গে আমার কথা হচ্ছিল, আমি তখন বলছিলাম যে এ ছেলের ভেতরে স্পেশাল কিছু আছে।

শচিন বলেন, প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে আক্রমণাত্মক খেলা আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলা পুরোপুরি ভিন্ন দু’টি বিষয়। প্র্যাকটিস ম্যাচে ধোনি দুইটি বাউন্ডারি মেরেছিল। তখন আমি গাঙ্গুলিকে বলি, ‘দাদা এই ছেলের শটে বিশেষ দ্যুতি আছে। দারুণ মারতে পারে’।

তিনি বলেন, ভারতীয় দলের হয়ে এটাই ছিল ধোনির প্রথম সিরিজ। কিন্তু যেভাবে সে বল পেটাচ্ছিল, নিজেকে স্পেশাল কিছু বানানোর প্রতিশ্রুতিই দিচ্ছিল।

এসময় ধোনির ব্যক্তিত্বের মাধুর্য উল্লেখ করে মাস্টার ব্লাস্টার বলেন, আমার সঙ্গে ধোনির সম্পর্ক সবসময় দারুণ ছিল। অনেকবার শুনেছি যে ধোনি নাকি দাম্ভিক, নিজ থেকে কথা বলে না। কিন্তু এটা ঠিক নয়। অনেকে ধোনিকে রাগী মনে করতো, আমরা সেই ধারণাও ভেঙে দিয়েছি। যখন কেউ দলে নতুন আসে, তখন খানিক সময় তো লাগেই।

ছয় বছর ধোনির অধিনায়কত্বে খেলেছেন শচিন। ধোনির সেরা গুণ হিসেবে তার চাপের মুখেও শান্ত থাকার বিষয়টিকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার একটা গুণ খুব ভালো লাগে, শান্ত থাকতে পারা। যা তাকে সফল হতে অনেক সহায়তা করেছে। তার এই যাত্রা সত্যিই অসাধারণ। ছোট শহর থেকে উঠে এসে ভারতের হয়ে ১৫ বছর খেলা সত্যিই প্রশংসার দাবীদার।

 

     এই বিভাগের আরও খবর দেখুনঃ