আজ ১০ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৪শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

সিলেবাসে নেইমার-এমবাপ্পে, পরীক্ষায় ডি মারিয়াও

লিসবনে কাল রাতে পিএসজির জার্সিতে সেরা তারকা খুঁজতে গেলে হয়তো নেইমার নয়, অন্য নামটিই সবার আগে আসবে। যে নামটি ম্যাচের আগে নেইমার-এমবাপ্পের ভিড়ে ততটা আলোচনায় আসেনি—অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়া। ব্যাপারটা অনেকটা এমন, লাইপজিগ ‘সিলেবাস’ মেনে খুব ভালো করে পড়েছে নেইমার-এমবাপ্পেকে নিয়ে। সেগুলো পরীক্ষায় এসেছে ঠিকই, তবে প্রশ্নপত্রে সবচেয়ে বেশি নম্বরের প্রশ্নটা এসেছে সিলেবাসের বাইরে থেকে।

কিলিয়ান এমবাপ্পে আর নেইমার সেরা ফুটবলারদের মধ্যে দুজন। দল হয়েই ওদের থামাতে হবে আমাদের’—ম্যাচের আগে বলেছিলেন লাইপজিগ কোচ ইউলিয়ান নাগলসমান। নিজ দলের খেলোয়াড়দের প্রতি তাঁর সতর্কবাণীটা তেমন কাজে আসেনি। এমবাপ্পে স্বমহিমায় আলো ছড়াতে না পারলেও নেইমার আরেকবার ঝলসে উঠেছেন পিএসজির জার্সিতে। লাইপজিগকে ৩-০ গোলে হারিয়ে পিএসজির ইতিহাসের প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের পথে একটি গোল করিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।

পিএসজির তিন গোলের দুটি তাঁর দারুণ ক্রসে, অন্যটি নেইমারের চোখধাঁধানো ব্যাক ফ্লিক অ্যাসিস্টে নিজেই করেছেন ৩২ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন উইঙ্গার। পিএসজির ইতিহাস গড়ার রাতে ম্যাচসেরার পুরস্কারও ডি মারিয়ারই।

Advertisements

অথচ ম্যাচের আগে তাঁর খেলা-না খেলা নিয়ে ছিল সংশয়। ম্যাচের আগে কিলিয়ান এমবাপ্পের চোট কাটিয়ে পুরো ফিটনেস নিয়ে খেলাই ছিল যত আলোচনায়। থাকাই স্বাভাবিক, অ্যাঙ্কেলের চোট কাটিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আটালান্টার বিপক্ষে ৬০ মিনিটে এমবাপ্পে নামার পরই তো পিএসজির খেলা গতি পেল! এই ম্যাচে শুরু থেকেই পিএসজিকে পাওয়া তাই পিএসজিকে ম্যাচের আগে বড় আত্মবিশ্বাসই জুগিয়েছে।

     এই বিভাগের আরও খবর দেখুনঃ