আজ ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিক্ষার্থীদের এক হাজার করে টাকা দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

করোনাভাইরাসে কারণে শিক্ষার্থীদের এক হাজার করে টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘করোনা চলমান। এর মধ্যে এলো ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। তারপর এলো দীর্ঘমেয়াদি বন্যা। একটার পর একটা আঘাত এসেছে। আমি চেষ্টা করেছি দেশের মানুষের যেন কষ্ট না হয়। মানুষ যেন কোনও দুর্ভোগ না পোহায়। আল্লাহর রহমতে সেটা আমরা কাটাতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের প্রচেষ্টা মানুষের জন্য কাজ করা। আর সেটাই আমরা করে যাচ্ছি।’
দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিপদ থেকে ভয়ে হতাশাগ্রস্ত যেন না হয়ে পড়ি। বিপদ আসবে। সেটা আমাদের মোকাবিলা করতে হবে। এর জন্য আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে। আমরা সেই প্রস্তুতি নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছি। সেভাবে সার্বিক উন্নয়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।‘
তিনি বলেন, ‘আমরা সাধ্যমতো মানুষের পাশে আছি। মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছি। যখন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল তখন করোনাভাইরাস মোকাবিলা, ত্রাণ বিতরণসহ অন্যান্য কাজে যেসব মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টতা ছিল তারা কাজ করেছে। আমাদের কিছুদিন থমকে যেতে হয়েছিল। সবকিছু প্রায় বন্ধ অবস্থায় ছিল। সব কার্যক্রম প্রায় স্থবির হয়ে গেছিল। তার মধ্যেও সরকার কিন্তু বসে থাকেনি। যার কারণে আমরা রিজার্ভ ৩৯ দশমিক ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে পেরেছি। এখানে অবশ্য আরেকটা কারণ আছে। আমাদের খরচ কমেছে। করোনাভাইরাসের কারণে আমাদের বিদেশ যাওয়া নেই। বিভিন্ন অনুষ্ঠানা নেই। এসব কারণে আমাদের বেশ সাশ্রয় হয়েছে। সেটা আমরা মানুষের কল্যাণে ব্যয় করতে পারছি। মাথাপিছু আয় দুই হাজার ৬৪ ডলারে উন্নীত হয়েছে। মাঝখানে কিছুদিন রফতানি একটু থমকে গেলেও আমাদের আমদানি-রফতানি এখন বৃদ্ধি পেয়েছে। যার কারণে গার্মেন্টসগুলো যা চেয়েছে আমরা সেইভাবে দিয়েছি। আমাদের রফতানি যেন ক্যানসেল না করে। যার কারণে অনেক দেশের সরকার প্রধানের সঙ্গে আমি নিজেও কথা বলেছি।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের বড় বড় মেগা প্রজেক্ট থমকে গিয়েছিল। সেগুলোর কাজ এখন চলমান। ডিজিটাল করে আমরা সরকারি কার্যক্রমগুলো সক্ষম রাখতে পেরেছি। দেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।’

     এই বিভাগের আরও খবর দেখুনঃ