আজ ১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

রং নম্বরে পরিচয়, পরকীয়ার টানে ঘরে ছেড়ে ধর্ষিত গৃহবধূ

রং নম্বরে পরিচয়, পরকীয়ার টানে ঘরে ছেড়ে ধর্ষিত গৃহবধূ

পঞ্চগড়ে মাইক্রোবাসে রাতভর এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দিনগত রাতে ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে জাহিদুল ইসলাম রতন ও মাইক্রোবাস চালক শহিদুল ইসলামকে ধর্ষক হিসেবে এবং আমিরুল ইসলাম ও নুর আলমকে ধর্ষণে সহযোগিতা করার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বোদা উপজেলার ময়দানদিঘী ইউনিয়নের এক গৃহবধূর সাথে সম্প্রতি রং নাম্বারে একই ইউপির সোনাপাড়া এলাকার যুবক জাহিদুল ইসলাম রতনের পরিচয় হয়। রতন মাঝে মধ্যে মোবাইল করে গৃহবধূর খোঁজ খবর নিতো। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে স্বামীর সাথে ওই গৃহবধূর ঝগড়া হয়। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে রতন গৃহবধূর মোবাইল ফোনে কল করে সান্ত্বনার পাশাপাশি বিয়েরও প্রস্তাব দেয়। গৃহবধূ তার প্রলোভনে পড়ে ওইদিনই বাড়ি থেকে বের হয়ে ময়দানদিঘী বিআরটিসি কাউন্টারে যায়।

Advertisements

এরপর রতন সেখান থেকে ফুসলিয়ে গৃহবধূকে কাজী অফিসে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে অটোরিকশায় বোদা বাজার হয়ে পঞ্চগড় রেলস্টেশনে নিয়ে যায়। সেখানে খাওয়া দাওয়ার পর গভীর রাতে শহিদুলের মাইক্রোবাসে মালাদাম এলাকার এক বন্ধুর বাড়িতে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানে আ’শ্রয় না পেয়ে গৃহবধূকে মাইক্রোবাসে পঞ্চগড় মৈত্রি ফিলিং স্টেশনের সামনে নিয়ে র’তন ও মাইক্রোচালক ধর্ষণ করে। এ সময় অটোরিকশা চালক আমিরুল ও নুর আলম তাদের পাহারা দেয় বলে জানা যায়।

রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে ভোরে গৃহবধূকে মোটরসাইকেলে বোদা বাসস্ট্যান্ডে নামিয়ে দিয়ে রতন পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে গৃহবধূর স্বামী তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে ভুক্তভোগী গৃহবধূ বোদা থানায় চারজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

মা’মলার পরেই একই দিন রাতেই অ’ভিযু’ক্ত রতনকে গ্রেফ’তার করে জিজ্ঞাসাবাদে অপর ৩ জনকে গ্রেফ’তার করা হয়। এবং তাদের ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটিও জ’ব্দ করা হয়।

     এই বিভাগের আরও খবর দেখুনঃ