আজ ৩১শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৪ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

https://jatiyobarta.com/wp-content/uploads/2020/11/যুক্তরাষ্ট্রেের-মুসলিম-জনসংখ্যা-ইহুদির-চেয়ে-বেশি-হবে-২০৪০-সালেl.jpg
যুক্তরাষ্ট্রেের মুসলিম জনসংখ্যা ইহুদির চেয়ে বেশি হবে ২০৪০ সালে

যুক্তরাষ্ট্রেের মুসলিম জনসংখ্যা ইহুদির চেয়ে বেশি হবে ২০৪০ সালে

যুক্তরাষ্ট্রে গত এক দশকে বসবাসকারী মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় দশ লাখ বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রেের মুসলিম জনসংখ্যা এই বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ২০৪০ সালের মধ্যে মুসলিমরা ইহুদিদের সরিয়ে দিয়ে আমেরিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় জনসংখ্যা হিসেবে আবির্ভূত হবে।

যুক্তরাষ্ট্রেের মুসলিম জনসংখ্যা বিরোধী প্রচারণা এবং মুসলমানদের প্রবেশ বন্ধ করার আহবানসহ নানা কারনে যুক্তরাষ্ট্রের তরুণ মুসলমানেরা উদ্বিগ্ন। এ বিষয় নিয়ে ওয়াশিংটনে ভয়েস অব আমেরিকার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক প্যানেল আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের তরুণ মুসলমানেরা এই দেশে তাদের নানা চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে তরুণ মুসলমানেরা বললেন তারা সমজাতীয় গোষ্ঠী নন। সেন্ট লুইসের বাসিন্দা ওয়া রোজ আক্তাস বললেন তার মা একজন আমেরিকান খ্রিষ্টান এবং বাবা একজন তার্কিশ মুসলমান।

Advertisements

“মধ্যপন্থী মুসলমান বা রক্ষনশীল মুসলমান নামে মানুষ প্রায়শই এটাকে বিভক্ত করতে চায় (মুসলমান সম্প্রদায়); কিন্তু আসলে এতে অনেক বৈচিত্র বিদ্যমান। এবং আমি মনে করি এই কারনে যুক্তরাষ্ট্র ইসলাম নিয়ে এতো আলোচনা”।

ভার্জিনিয়ার সোমালিয়ান আমেরিকান তরুণ মুসলমান মোহামেদ হুসেইন বলেন, অনেক সময় তরুণ মুসলমানদের একাধিক পরিচয় থাকে।

“এটি অবশ্যই কঠিন; শুধুমাত্র মুসলমান বা আমেরিকান মুসলমান হিসাবে নয়; সোমালি নাগরিক, কৃষ্ণাঙ্গ অথবা তরুণ বয়সী; বিভিন্ন ভাবে নিজেকে পরিচয় দিতে হচ্ছে। এটি সহজ নয়; কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে আমি এ্রখানে জন্মেছি আর এই ধর্ম চর্চা করতে করতে বেড়ে উঠেছি; এই প্রক্রিয়া আমার জীবনের সঙ্গে মিশে গেছে। আর আমার বাবা মায়েদের মতো অভিবাসিদের কথা ভাবুন। আপনাকে নানাভাবে খাপ খাওয়ানো শিখতে হবে। সংখ্যাগুরু সম্প্রদায় থেকে এসে এখানে তারা সংখালঘূ”।

প্যানেলিষ্টরা অভিযোগ করেন এখানে মুসলমানদের দ্বারা সংঘঠিত যে কোনো অপরাধ গনমাধ্যমে বেশি করে তুলে ধরা হয়। যেমনটি বলছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির মোরসাল মোহামেদ।

আরও পড়ুনঃ অজু করার ১৮ টি সুন্নতি আমল

“আমার ধারনা, যখনই কোনো মুসলমান কোনো ঘটনা ঘটায় তা গনমাধ্যমের শিরোনাম হয়; তার প্রতি বেশী গুরুত্ব দেয়া হয়। আর ঐ একই ঘটনা যদি কোনো পশ্চিমার দ্বারা সংঘঠিত হয়; আমার ধারনা তাতে একই রকম প্রতিক্রিয়া হবেনা”।

২০০১ সালে আমেরিকার বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র ও পেন্টাগনের হামলার পর থেকেই মুসলিম আমেরিকানদের ওপর আক্রমণাত্মক ঘটনা অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৬ সালে দেশটিতে মোট ৩০৭টি মুসলিম বিরোধী অপরাধের ঘটনা ঘটেছে। যা ২০১৫ সালের তুলনায় ১৯ শতাংশেরও বেশি।

     এই বিভাগের আরও খবর দেখুনঃ