আজ ১০ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৪শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান কিনছে তাইওয়ান, উত্তেজনা তুঙ্গে

জানা যাচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান কিনতে যাচ্ছে তাইওয়ান। আর সে কারণেই ৬ হাজার ২০০ কোটি ডলারের একটি অস্ত্র চুক্তি করেছে তাইওয়ান। তাইওয়ান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে বিগত কয়েক বছরে এটি হচ্ছে সবচেয়ে বড় অস্ত্র চুক্তি। সামরিক পর্যবেক্ষকরা আশঙ্কা করছে যে, এই সামরিক চুক্তির কারণে তাইওয়ান ও আমেরিকার সঙ্গে চীনের উত্তেজনা কয়েক গুণ বেড়ে যাবে।

ধীরে ধীরে চীনের উপরে চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসন ক্রমেই তাইওয়ানের সাথে কৌশলে সম্পর্ক মজবুত করছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা গত কয়েকদিন আগে তাইওয়ান সফরে যান। সেখানে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট এর সাথে দীর্ঘ সময় বৈঠক করেন। তারপর থেকেই জানা যাচ্ছে যে, বিশাল সামরিক সরঞ্জাম কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাইওয়ান সরকার।

নতুন চুক্তির মাধ্যমে তাইওয়ানের কাছে ৯০টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এবং অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলির মধ্যে এফ-১৬ একটি অন্যতম যুদ্ধবিমান। সর্বাধুনিক এই যুদ্ধবিমানকে একাধিকবার আপগ্রেডেশন করছে মার্কিন সরকার।

Advertisements

জানা গেছে, তাইওয়ানকে সেই আধুনিক যুদ্ধবিমান দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এফ-১৬ প্রযুক্তির সর্বাধুনিক ভার্সনের বিমান দেওয়া হবে তাইওয়ানকে।

ওয়াশিংটনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী ১০ বছর ধরে তাইওয়ান এসব বিমান হাতে পাবে।

মার্কিন সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পালটা তীব্র হুঙ্কার ছেড়েছে চীন। বেইজিং কড়া ভাষায় আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। বেইজিংয়ের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, তাইওয়ানকে যদি এফ-১৬ বিমান সরবরাহ করা হয় তাহলে ওয়াশিংটনকে এর চরম পরিণতি ভোগ করতে হবে। রীতিমত যুদ্ধের হুঙ্কারও দিয়েছে বেইজিং।

যুক্তরাষ্ট্র সরকার যদিও এর হুঁশিয়ারিকে একেবারেই তোয়াক্কা করেননি। তাইওয়ানকে গত বছরেই আমেরিকা ৬৬টি এফ-১৬ বিমান সরবরাহ করার ইঙ্গিত দিয়েছিল। কিন্তু তখন বেইজিং যুক্তরাষ্ট্রকে তাইওয়ানের সাথে অস্ত্র চুক্তি করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানায়। তবুও আবার সেই পথেই হাঁটছে মার্কিন সরকার।

 

     এই বিভাগের আরও খবর দেখুনঃ