আজ ৩১শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৪ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

মোবাইল চুরির অভিযোগে কিশোরকে দড়ি দিয়ে বেঁধে বেধড়ক মারধর

মোবাইল চুরির অভিযোগে কিশোরকে দড়ি দিয়ে বেঁধে বেধড়ক মারধর

এক কিশোর ও এক যুবককে দড়ি দিয়ে বেঁধে বেধরক পিটিয়েছে স্থানীয় গোলাম মোস্তফা মোবাইল চুরির অভিযোগে শিশু-কিশোরকে নির্যাতন যেন এখন নিয়মিত ঘটনা। এরই ধারাবাহিকতায় ময়মনসিংহেও ঘটেছে এমন ঘটনা। সদরের ভবানীপুর এলাকায় মোবাইল চোর সন্দেহে এক কিশোর ও এক যুবককে দড়ি দিয়ে বেঁধে বেধরক পিটিয়েছেন স্থানীয় গোলাম মোস্তফা।

রোববার সকালে ফেসবুকে এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, মোবাইল চুরির অপবাদ দিয়ে দুইজনের ওপর বর্বর নির্যাতন চলান গোলাম মোস্তফা। এ সময় তারা চিৎকার করে প্রাণ ভিক্ষা চাইলেও তাদের নির্মমভাবে পেটানো হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) প্রভাবশালী গোলাম মোস্তফার মেয়ের একটি মোবাইল চুরি হয়। এরপর চোর সন্দেহে পরদিন বৃহস্পতিবার ভোরে ধরে আনা হয় এলাকার যুবক ফয়জাল ও কিশোর রাকিবকে। পরে গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বেই সকাল সাতটা থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে ওই দুজনের ওপর চলে এই নির্যাতন।

Advertisements

তবে মারধরের কথা অস্বীকার করে অভিযুক্ত গোলাম মোস্তফা বলেছেন, কারো গায়ে হাত তোলার বদ অভ্যাস নেই তার।

এদিকে স্থানীয় প্রভাবশালীদের ভয়ে কোণঠাসা ভুক্তভোগীর পরিবার। এ ঘটনার বিচার চান তারা। ভুক্তভোগী ফয়জালের মা ফাতেমা আক্তার বলেন, আমার ছেলে চুরি না করা সত্ত্বেও তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে অমানুনিক মারধর করেছে। আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

নির্যাতনের ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি সদস্য। প্রতিবাদ করেননি তিনিও। পরে চুরির অভিযোগে যুবক ফয়জালকে পুলিশের হাতে তুলে দেয় নির্যাতনকারীরা।

এ বিষয়ে সিরতা ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শাহ আলম বাদশা বলেন, স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করার চেষ্টা করেছি কিন্তু যাদের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ তারা কেউ আমার কাছে আসেনি। পরে আমরা পুলিশকে খবর দিয়ে আমরা আইনের হাতে তাদের সোপর্দ করে দিয়েছি।

তবে নির্যাতনের ঘটনায় এখনো কেউ থানায় অভিযোগ করেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ। কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার বলেন, বিষয়টি আমরা জানতে পেয়েছি। এ ঘটনায় জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে

     এই বিভাগের আরও খবর দেখুনঃ