আজ ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

https://jatiyobarta.com/wp-content/uploads/2020/11/মেসিকে-কেনার-চেষ্টাই-করবে-না-ম্যানচেস্টার-সিটি.jpg
মেসিকে কেনার চেষ্টাই করবে না ম্যানচেস্টার সিটি

মেসিকে কেনার চেষ্টাই করবে না ম্যানচেস্টার সিটি !

সম্ভাবনায় এগিয়ে থাকা ম্যানচেস্টার সিটিই সরে দাঁড়ানোর কথাই সবার আগে শোনা গেল। লিওনেল মেসির এক ঘোষণার জের এখনো শেষ হয়নি। গত আগস্টে বার্সেলোনা ছাড়তে চেয়েছিলেন আর্জেন্টাইন তারকা। মাঝে ‘রিলিজ ক্লজ’ নিয়ে অনেক জল ঘোলা হওয়ার পর শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন মেসি। শেষ করতে চান চুক্তির মেয়াদ। তখন মেসিকে কেনার দৌড়ে আলোচনায় উঠে এসেছিল সিটি ও পিএসজির নাম। বার্সা তারকা ক্যাম্প ন্যু থেকে যাওয়ায় অভিযান মুলতবি রাখতে হয় দুটি ক্লাবের।

আরও পড়ুনঃ ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ থেকে দূরে সরার কারন জানালেন শামীম

মুলতবি বলার কারণ, মেসির চুক্তির মেয়াদ। এ মৌসুম শেষেই বার্সায় বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে মেসির। স্বাভাবিকভাবেই মেসি এই মেয়াদ শেষ করার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই গুঞ্জন চলছে, চুক্তি শেষে কী করবেন? বার্সা তাঁকে ধরে রাখতে চায়। মেসি থাকবেন কি না, সেটি হলো বিষয়। এটাই বড় প্রশ্ন। আর থাকতে না চাইলে তখন সিটিতে পেপ গার্দিওলার সঙ্গে মেসির পুনর্মিলনের সম্ভাবনা দেখছেন অনেকে। সেমরা হান্টার সেই সম্ভাবনায় জল ঢেলে দিলেন। স্প্যানিশ এই ফুটবল বিশেষজ্ঞের মতে, মেসির পিছু ছোটায় ইতি টেনেছে সিটি।

Advertisements
মেসিকে কেনার চেষ্টাই করবে না সিটি!

মেসি
ছবি: রয়টার্স

৩৩ বছর বয়সী মেসি জানুয়ারিতেই ফ্রি-এজেন্ট হিসেবে অন্য ক্লাবের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন। হান্টারের মতে, এই বয়সে মেসিকে বছরে ১০ কোটি ইউরো পারিশ্রমিক দিয়ে কিনতে আগ্রহী নয় ইংলিশ ক্লাবটি। স্কাই স্পোর্টস নিউজকে হান্টার বলেন, ‘এ পরিস্থিতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজনের কাছ থেকে জোরালোভাবে জেনেছি, লিওনেল মেসিকে কেনার চেষ্টা করবে না ম্যানচেস্টার সিটি। এখন পর্যন্ত যতটুকু তথ্য পেয়েছি তাতে দরজা বন্ধ।’

হান্টার জানিয়েছেন, মেসির প্রতি দুটো কারণে আর আগ্রহী নয় সিটি। এক. বয়স। দুই. অর্থ। মেসি আর আগের ফর্মে নেই। বার্সায় ১৭ বছর ধরে যে ফর্মে তাঁকে দেখা গেছে, আর্জেন্টাইন তারকা এখন তার ছায়া হওয়ার অপেক্ষায়। মোটকথা, ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ে পা রেখেছেন তিনি। এর সঙ্গে আর্থিক বিষয়ের যোগসূত্র দেখছেন হান্টার, এমনকি মেসি ফ্রি-তে যোগ দিতে পারলেও তাঁর পারিশ্রমিক অবিশ্বাস্য। বছরে প্রায় ১০ কোটি ইউরো। এটা যেকোনো ক্লাবের জন্য বিশাল অর্থনৈতিক বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। বিশেষ করে এই বৈশ্বিক মহামারির সময়ে।

হান্টার ব্যাখ্যা করেন, মহামারিতে আর্থিকভাবে সব ক্লাবই ভুগছে। গত দলবদলে রিয়াল মাদ্রিদের মতো আরও কিছু ক্লাব একজন খেলোয়াড়ও কেনেনি। বেশির ভাগ খেলোয়াড় বিক্রির চেষ্টা করেছে। কেউ আবার অপেক্ষায় পরিস্থিতি ঠিক হওয়ার। এমন পরিস্থিতিতে পারিশ্রমিকের দৃষ্টিকোণ থেকে বছরে ১০ কোটি ইউরো অনেক বড় চাপের বিষয়। এই চাপ কমিয়ে মেসিকে কিনতে হলে বড় পারিশ্রমিক পাওয়া দু-একজন তারকাকে ছেড়ে দিতে হবে কিংবা অন্য ব্যবস্থা নিতে হবে ক্লাবকে।

সিটি কিংবা অন্য কোনো ক্লাব তা করবে না বলেই মনে করেন হান্টার, ক্লাবগুলো সম্ভবত এই টাকাটা (বছরে ১০ কোটি ইউরো) তরুণ খেলোয়াড় আনায় বিনিয়োগ করবে কিংবা যেসব পজিশনে বদলি খেলোয়াড় প্রয়োজন, সেসব জায়গায় শূন্যতা পূরণের চেষ্টা করবে।

     এই বিভাগের আরও খবর দেখুনঃ