আজ ১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

https://jatiyobarta.com/wp-content/uploads/2020/12/ভাঙাপুলে-লক্ষাধিক-মানুষের-ভোগান্তি-.jpg
ভাঙাপুলে লক্ষাধিক মানুষের ভোগান্তি

ভাঙাপুলে লক্ষাধিক মানুষের ভোগান্তি

ভাঙাপুলে লক্ষাধিক মানুষের ভোগান্তি ।মৌলভীবাজারের কুলাউড়া ও রাজনগর উপজেলার মাঝামাঝি সংযোগ সড়কে প্রায় দুই বছর ধরে একটি ব্রিজ ভেঙে পড়ে আছে। যার ফলে দুই উপজেলার প্রায় লক্ষাধিক মানুষ ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বরমচাল ইউনিয়ন থেকে মুন্সীবাজার ইউনিয়নের সড়কের সংযোগস্থলে এই ব্রিজটি। এটা ভেঙে পড়ায় বিকল্প সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছেন স্থানীয়রা। ভারী যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও ছোট ছোট যানবাহনে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃভ্যানচালক শম্পার পরিবারের সব দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

Advertisements

স্থানীয়রা জানান, ২ বছর আগে ব্রিজটি ভেঙে যায়। এরপর নিজ উদ‌্যেগে তারা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা তুলে একটি সাঁকো তৈরি করেন। এখন ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার করতে হয়।

জানা গেছে, কুলাউড়ার বরমচাল চা বাগান ও রাজনগরের করিমপুর চা বাগানের ভেতর দিয়ে ‘উপজেলা সড়ক’ নামে একটি সড়ক নির্মাণ করা হয়। মৌলভীবাজার ও সিলেটে যাতায়াতের সুবিধার জন‌্য এই সড়কটি নির্মাণ করা হয় ২০০৮-০৯ সালে। সড়কটি পাকা হওয়ায় ভারী যানবাহনসহ বিভিন্ন ছোট বড় মালবাহী গাড়ি এই সড়কটি ব্যবহার করে। এতে ওই ব্রিজে অতিরিক্ত চাপ পড়ে। ভেঙে যায় ব্রিজটি। দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে পড়ে থাকায় এলাকার লোকজন সবাই একে ‘ভাঙাপুল’ নামে ডাকেন।

স্থানীয় বাসিন্দা সেলিম মিয়া বলেন, ‘কাজের জন‌্য প্রায় আমাকে এই রাস্তা দিয়ে যেতে হয়। গত কদিন আগে মোটরসাইকেলে এই সাঁকো পাড়াপাড়ের সময় আমি দুর্ঘটনার শিকার হই।’অটোরিকশা চালক শ্যামল বলেন, ‘বৃষ্টির সময় কাদা জমে থাকায় এই রাস্তা দিয়ে গাড়ি নিয়ে যাওয়া অসম্ভব। তাই ব্রিজের দুই পাশে যাতায়াতের জন‌্য গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে।’

আরও পড়ুনঃবরগুনায় প্রতিশোধ নিতে ছাগলের পেটে ছুরি বসালেন নির্দয় শিক্ষক

মৌলভীবাজার জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আজিম উদ্দীন সরদার রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘পুরো জেলার ৭টি ব্রিজের প্রস্তাব আমরা পাঠিয়েছি। এই ব্রিজটা যদি তার মধ্যে থাকে তাহলে দ্রুত বাস্তবায়ন হবে। তারপরও আমি এটা পরিদর্শন করে দেখবো।’

     এই বিভাগের আরও খবর দেখুনঃ