আজ ৯ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৩শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

নারী চিকিৎসককে গুলির পর কুপিয়ে খণ্ডবিখণ্ড করলেন সহকর্মী!

বুধবার আগ্রার এস এন মেডিক্যাল কলেজে এক নারী চিকিৎসককে তিনবার গুলি করার পর কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, খুন হওয়া চিকিৎসক ২৫ বছর বয়সী যোগীতা গৌতম মাত্র এক সপ্তাহ আগেই এস এন মেডিক্যাল কলেজ থেকে গাইনোকলজি ও অবস্টেট্রিকসে এমবিবিএস করেছিলেন। তবে সেখানেই নির্মমভাবে খুন হন তিনি।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর আগে একাধিকবার ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয় তাকে। এরপর তার মুখ ক্ষতবিক্ষত করে দেয়া হয়।

Advertisements

বুধবার থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না যোগীতাকে। বৃহস্পতিবার রাতে উদ্ধার হয় যোগীতার মরদেহ। এই ঘটনায় যোগীতার সহকর্মী ও সিনিয়র ডাক্তার বিবেক তিওয়ারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এরইমধ্যে তিনি তার নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন।

জানা গেছে, প্রায় সাত বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল তাদের। সম্প্রতি সে সম্পর্কে চিড় ধরে। ফলে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে উঠেছিলেন বিবেক। গত মঙ্গলবারই বিবেক দেখা করতে গিয়েছিলেন যোগীতার সঙ্গে। সেদিনই তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়।

পুলিশকে বিবেক জেরায় বলেছেন, ‘ঝগড়ার পরই আমি ওকে টেনে নিয়ে গিয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে কোপাই। কাঠের একাধিক তক্তার নীচে ওর দেহ ফেলে দিই।’

ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যদিও যোগীতার দেহ থেকে তিনটি গুলিও পাওয়া গিয়েছে। একটি মাথায়, দুটি বুকে লেগেছিল। গলাতেও গভীর ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। বিবেক তিওয়ারির কানপুরের বাড়ি থেকেই যোগীতাকে অপহরণ করার গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।

বাবা বিষ্ণু তিওয়ারির লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক ব্যবহার করেই যোগীতাকে খুন করেছেন বিবেক। যোগীতার দাদা মহিন্দ্রও দিল্লির একটি হাসপাতালের ডাক্তার। তিনিও জানিয়েছেন, যোগীতার মাথা থেঁতলে দেয়া হয়েছিল।

     এই বিভাগের আরও খবর দেখুনঃ