আজ ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

https://jatiyobarta.com/wp-content/uploads/2020/11/গ্রামের-এবং-স্কুলের-নাম-‘চোরের-ভিটা-পরিবর্তন-চেয়ে-মানববন্ধন-.jpg
গ্রামের এবং স্কুলের নাম ‘চোরের ভিটা’, পরিবর্তন চেয়ে মানববন্ধন

গ্রামের এবং স্কুলের নাম ‘চোরের ভিটা’, পরিবর্তন চেয়ে মানববন্ধন

গ্রামেরর নাম ‌‘চোরের ভিটা’। এই গ্রামেই আছে ‘চোরের ভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’। স্কুলের নামকরণও করা হয়েছে গ্রামের নামের যোগে। যখন এই নামকরণ করা হয়েছিল তখন এর বিরোধিতা কেউ করেছিল কি না, তা জানা যায়নি। তবে এখন এই নামের জন্য গ্রামের লোকজন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন। কাউকে নিজ গ্রামের নাম বলতে তারা লজ্জা পান। যে কারণে দাবি উঠেছে এই নাম পরিবর্তনের। 

গ্রামের নাম পরিবর্তন চেয়ে ইতোমধ্যে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদনও করা হয়েছে। বুধবার (২৫ নভেম্বর) এই আবেদন করেন ওই গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মাদ মাহবুবুর তালুকদার। 

ময়মনসিংহ আনন্দমোহন কলেজের সাবেক এই শিক্ষার্থী গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‌‘পূর্বধলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের চোরের ভিটা গ্রামের নামকরণ করা হয় ১৯৬২ সালে। তখন জরিপের সময় জমিদারের খাজনার বই হারিয়ে গিয়েছিল। ফলে জমিদার ক্ষিপ্ত হয়ে গ্রামের নাম দেন চোরের ভিটা। ১৯৯১ সালে গ্রামের নামের ওপর ভিত্তি করে প্রাথমিক বিদ্যালয়েরও নামকরণ করা হয় ‘চোরের ভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’। আমি নিজেও ওই স্কুলের ছাত্র ছিলাম। কিন্তু বিভিন্ন অফিস-আদালতে গেলে, চাকরির আবেদন করলে তা নিয়ে মানুষ হাস্যরসের সৃষ্টি করে।’

Advertisements

আরও পড়ুন>>>  শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে ৩-৪ দিন ক্লাস করবে: শিক্ষামন্ত্রী

‘বিষয়টি নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়। তাই নামটি বদলের জন্য মানববন্ধন করেছি। জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছি। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন করেছি। নামটি পরিবর্তন চাই আমরা। পরিবর্তন করে বিজয়নগর করার জন্য দাবি জানাই,’- বলেন তিনি।

আরও পড়ুন>>> মাদারীপুরের শিবচরে ভূমি অফিসে ঘুষ লেনদেন ভিডিও ভাইরাল

নামের কারণে মানুষ সেই গ্রামে আত্মীয়তার সম্পর্কও করতে চায় না বলে জানিয়েছেন একই গ্রামের বাসিন্দা আওয়ামী লীগ নেতা হালিম খান ও মো. হারুন-অর-রশিদ। তারা বলেন, ‌‌’এমন নামের কারণে মানুষ আত্মীয় করতে চায় না। গ্রামের ছেলে-মেয়েদের ভালো এলাকায় বিয়েশাদি হয় না। আমরা খুব সমস্যায় আছি। দ্রুত গ্রামের নামটি পরিবর্তন চাই।’

এ বিষয়ে নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক কাজী আবদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‌‘নাম পরিবর্তনের জন্য এলাকাবাসীর পক্ষে একটি আবেদন পেয়েছি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

     এই বিভাগের আরও খবর দেখুনঃ