আজ ৩১শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৪ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

https://jatiyobarta.com/wp-content/uploads/2020/11/অভিমুখী-কৃষকদের-ওপর-আবারও-টিয়ার-গ্যাস-ও-জলকামান.jpg
অভিমুখী কৃষকদের ওপর আবারও টিয়ার গ্যাস ও জলকামান

অভিমুখী কৃষকদের ওপর আবারও টিয়ার গ্যাস ও জলকামান

বৃহস্পতিবার রাতে ও শুক্রবার সকালে হরিয়ানার সোনপতে এলাকায় নতুন কৃষক আইনের প্রতিবাদে ভারতের দিল্লিতে অভিমুখী কৃষকদের ওপর আবারও টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে পাঞ্জাব থেকে মিছিল করে ‘দিল্লি চলো’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলেন কৃষকরা। হাজার হাজার কৃষক হরিয়ানা হয়ে দিল্লি প্রবেশের চেষ্টা করেন। বৃহস্পতিবার সারা দিন ধরেই হরিয়ানার পুলিশ বিভিন্নভাবে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে বিক্ষোভরত কৃষকদের। প্রবল ঠান্ডার মধ্যেই হরিয়ানার সোনপতে রাত ১১টার দিকে কৃষকদের উপর জলকামান চালায় পুলিশ।  শুক্রবার সকাল থেকেই দিল্লির সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় কৃষকরা ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তাদের আটকাতে টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ।

শেষ পর্যন্ত শুক্রবার দুপুরে সংঘর্ষের পথ থেকে সরে আসে পুলিশ। কৃষকদের দিল্লিতে ঢুকতে অনুমতি দেওয়া হয়। নয়াদিল্লির বুরারি এলাকায় নিরঙ্করী সমাগম মাঠে প্রতিবাদ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে তাদের।

Advertisements

আরও পড়ুনঃ প্রেমিককে বিয়ের দাবিতে বিলবোর্ডের ওপর উঠে পড়ল কিশোরী

সংযুক্ত কিষান মোর্চা এবং অল ইন্ডিয়া কিষান কোঅর্ডিনেশন কমিটি জানিয়েছে, দিল্লি ঢোকার জন্য ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ হাজার কৃষক পৌঁছে গেছে দিল্লি-হরিয়ানা সীমানার বিভিন্ন এলাকায়। শুক্রবার দিল্লি ঢোকার জন্য পুরোমাত্রায় তৈরি তাঁরাও।

গত সেপ্টেম্বরে ভারতের পার্লামেন্টে তিনটি কৃষিসংস্কার বিল পাশ হয়। এর একটিতে সরকার নিয়ন্ত্রিত পাইকারি কৃষিবাজারগুলো কার্যত বাতিল, দ্বিতীয়টিতে ফসলের আগে থেকে ঠিক করে রাখা দামে চুক্তিভিত্তিক চাষ বা কনট্রাক্ট ফার্মিংয়ের সুযোগ রাখা হয়েছে। আর তৃতীয়টিতে ব্যবসায়ী বা উৎপাদকরা কতটা ফসল মজুদ করতে পারবেন তার উপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ বাতিলের কথা বলা হয়েছে। কৃষকদের দাবি, নতুন এই আইনগুলো তাদের স্বার্থবিরোধী। কারণ, এই আইন অনুযায়ী প্রাইভেট ফার্মগুলো কৃষিখাতে চালকের ভূমিকায় চলে যাবে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে কৃষক।

     এই বিভাগের আরও খবর দেখুনঃ